
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল এবার দেশের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারদের জন্য বিশেষ লাউঞ্জ তৈরির উদ্যোগ নিয়েছেন। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অ্যাড-হক কমিটির দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই একের পর এক ইতিবাচক উদ্যোগ গ্রহণ করছেন তিনি।
এর আগে দেশের সব সাবেক অধিনায়কদের সম্মান জানাতে “ক্যাপ্টেনস কার্ড” চালু করেছিলেন তামিম। এবার জাতীয় দলের হয়ে খেলা সকল ক্রিকেটারের জন্য স্থায়ী একটি লাউঞ্জ তৈরির পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন এই অভিজ্ঞ ওপেনার।
আরও পড়ুন:
- Bangladesh Cricket Latest News
- Shakib Al Hasan News
- BPL 2026 Updates
মিরপুর স্টেডিয়ামে শুরু হয়েছে লাউঞ্জ নির্মাণ কাজ
রোববার মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বিসিবির অ্যাড-হক কমিটির সভা শেষে সংবাদমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন তামিম ইকবাল।
তিনি জানান, হোম অব ক্রিকেটের ম্যানুয়াল স্কোরবোর্ডের পাশের শহীদ আবু সাইদ স্ট্যান্ডে দ্বিতীয় তলার কর্পোরেট বক্স ভেঙে নতুন এই লাউঞ্জ তৈরি করা হচ্ছে।
তামিমের আশা, খুব দ্রুতই এই লাউঞ্জ উদ্বোধন করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি, স্টেডিয়ামের বিভিন্ন স্ট্যান্ড সাবেক ক্রিকেটার ও সংগঠকদের নামে নামকরণের পরিকল্পনাও রয়েছে।
আন্তর্জাতিক মানের সুবিধা থাকবে ক্রিকেটার লাউঞ্জে
তামিম ইকবালের ভাষ্যমতে, বাংলাদেশের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলা প্রায় ১৭০-১৮০ জন ক্রিকেটারের জন্য এই বিশেষ লাউঞ্জ তৈরি করা হচ্ছে।
তিনি বলেন,
“বিশ্বের বড় বড় স্টেডিয়ামে যেমন সাবেক ক্রিকেটারদের জন্য আলাদা ব্যালকনি ও লাউঞ্জ থাকে, ঠিক তেমনভাবেই এখানে একটি আধুনিক সুবিধা তৈরি করা হবে।”
এই লাউঞ্জে থাকবে:
- আধুনিক ব্যালকনি
- চা-কফি আড্ডার ব্যবস্থা
- প্রায় ২৫০-৩০০ জনের বসার ব্যবস্থা
- জাতীয় ক্রিকেটারদের জন্য বিশেষ প্রবেশাধিকার
- কোয়াবের নিজস্ব অফিস
জাতীয় ক্রিকেটারদের জন্য থাকবে বিশেষ কার্ড
তামিম আরও জানান, সকল জাতীয় ক্রিকেটারকে একটি বিশেষ অ্যাক্সেস কার্ড দেওয়া হবে। এই কার্ডের মাধ্যমে তারা আজীবনের জন্য লাউঞ্জ ও সংশ্লিষ্ট সুবিধা ব্যবহার করতে পারবেন।
এছাড়া, ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব)-এর অফিসও এই লাউঞ্জের ভেতরেই স্থাপন করা হবে।
বাংলাদেশের ক্রিকেট সংস্কৃতিতে নতুন অধ্যায়
বাংলাদেশ ক্রিকেটে সাবেক খেলোয়াড়দের জন্য দীর্ঘদিন ধরেই একটি স্থায়ী মিলনকেন্দ্রের অভাব ছিল। তামিম ইকবালের এই উদ্যোগকে অনেকেই বাংলাদেশের ক্রিকেট সংস্কৃতিতে ইতিবাচক পরিবর্তনের সূচনা হিসেবে দেখছেন।
বিশেষ করে তরুণ ক্রিকেটারদের সঙ্গে সাবেকদের যোগাযোগ বাড়াতে এই লাউঞ্জ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন ক্রিকেট বিশ্লেষকরা।
বাংলাদেশ ক্রিকেটের আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: