• Cricket
  • International Cricket
  • কোহলির অর্ধশতরান, ভরসা দিলেন পঞ্জাবের দুই পেসার, বৃষ্টিবিঘ্নিত প্রথম এক দিনের ম্যাচে নিউ জ়িল্যান্ডকে হারাল ভারত

    অকল্যান্ডে প্রথম এক দিনের ম্যাচে নিউ জ়িল্যান্ডকে হারাতে সমস্যা হল না ভারতের। রোহিত শর্মা ব্যর্থ হলেও অর্ধশতরান করলেন বিরাট কোহলি। তার আগে জয়ের ভিত তৈরি করে দিলেন দুই পেসার অর্শদীপ সিংহ এবং গুরনুর ব্রার।

    ম্যাচের শুরুতে এবং ভারতের ইনিংস চলাকালীন একাধিক বার বাধা দিল বৃষ্টি। তবে অকল্যান্ডে প্রথম এক দিনের ম্যাচে নিউ জ়িল্যান্ডকে হারাতে কোনও সমস্যা হল না ভারতের। রোহিত শর্মা ব্যর্থ হলেও অর্ধশতরান করলেন বিরাট কোহলি। তার আগে ভারতের জয়ের ভিত তৈরি করে দিলেন দুই পঞ্জাবি পেসার অর্শদীপ সিংহ এবং গুরনুর ব্রার। পুরো ৫০ ওভারও খেলতে পারেনি নিউ জ়িল্যান্ড। ৪০.২ ওভারে ১৮৫ রানে অলআউট হয়েছে তারা। জবাবে ভারত রান তুলে দিয়েছে ৫ উইকেট হারিয়ে।

    ভারতের পেসত্রয়ী জসপ্রীত বুমরাহ, মহম্মদ সিরাজ এবং প্রসিদ্ধ কৃষ্ণকে ধকল নিয়ন্ত্রণের জন্য এই ম্যাচে পাওয়া যায়নি। তাঁদের অভাব ঢেকে দিলেন অর্শদীপ (৪/৭০) এবং গুরনুর (৩/৪৪)। টসে জিতে শুভমন প্রথমে বোলিং নেওয়ার পরেও সমস্যায় পড়তে হয়নি।

    অকল্যান্ড পার্ক লম্বায় ছোট হলেও দু’টি দিক বেশ চওড়া। বোলারের মাথার উপর দিয়ে অনায়াসে ছয় মারা সম্ভব। বাকিদের তুলনায় মার খেলেও অর্শদীপ নিয়মিত সঠিক লেংথে বল করেছেন। মাঝের দিকে ওভারগুলি সামাল দিয়েছেন অংশুল কম্বোজ (২/২২)। তাঁর উপর আস্থা রেখেছিলেন কোচ গৌতম গম্ভীর। কম্বোজের বোলিং আশ্বস্ত করবে তাঁকে। ১০ ওভারে ৪৬টি ডট বল করেছেন তিনি।

    পাওয়ার প্লে-তে দু’টি উইকেট নিয়ে নিউ জ়িল্যান্ডকে শুরুতেই চাপে ফেলেছিলেন অর্শদীপ। ছোট লেংথে বল করে প্রথমে ফেরান উইল ইয়ংকে (৯)। এর পর ফেরেন হেনরি নিকোলস (৯)। ব্রারের পেস এবং বাউন্সের কারণে ১০ ওভারের পর তাঁকে বোলিংয়ে আনেন শুভমন। খাটো লেংথে বল করে বার বার কিউয়ি ব্যাটারদের চাপে ফেলেন ব্রার। দু’টি উইকেট পান, যার মধ্যে রয়েছে নিজের বলে ক্যাচ নিয়ে টম লাথামকে ফেরানোর উইকেটও। ১০৯ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল নিউ জ়িল্যান্ড।

    আকিব নবির বলে টিম সেইফার্টের (৩৮) সহজ ক্যাচ ফেলেন নমন ধীর। সেইফার্টের আগের টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শতরান করেছিলেন। একটি বলে নবিকে ‌র‌্যাম্প শটে ছয় মারেন। তবে ব্রারের বলে ভুল টাইমিংয়ের কারণে রুতুরাজ গায়কোয়াড়ের হাতে ক্যাচ দেন। মাঝের দিকে নিউ জ়িল্যান্ডকে একটা সময় টেনেছেন ড্যারিল মিচেল (২৮) এবং গ্লেন ফিলিপস (৩০)। ফিলিপসের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে মিচেল ফিরতেই ভারতের কাজ সহজ হয়ে যায়। ভারতীয় দলকে তবু একটু চিন্তায় রাখবে অর্শদীপের বোলিং। শেষ দিকে ব্লেয়ার টিকনার ২৩ বলে ৩৪ রান তুলে দেন চারটি ছক্কা মেরে। না হলে আরও কম রানে আউট করে দেওয়া যেত কিউয়িদের।

    রান তাড়া করতে নেমে প্রথম ওভারেই ফিরে যান রোহিত (০)। তবে শুভমন এবং কোহলি বিশেষ সমস্যায় পড়েননি। অল্প সময়ের ব্যবধানে দু’বার খেলা থামে। ১১তম ওভার চলাকালীন এক ঘণ্টা খেলা বন্ধ থাকায় ওভার কমে। ডাকওয়ার্থ-লুইস নিয়মে ভারতের পরিবর্তিত লক্ষ্য দাঁড়ায় ৪০ ওভারে ১৬৭। এক ওভার পর আবারও খেলা থামে। এক ঘণ্টা পর যখন খেলা শুরু হয়, ভারতের লক্ষ্য দাঁড়ায় ৩২ ওভারে ১৪৩।

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    1 mins